ছেলে বাড়ি ফিরে দেখল, খাবার না পেয়ে ঘরের মধ্যেই মরে পড়ে আছে বাবা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক-

কয়েক মাস পর বাড়ি ফিরে ভয়ানক পরিস্থিতির সম্মুখীন ছেলে। বাড়িতে বাবা না থাকলেও মেঝেতে পড়ে রয়েছে হাড়গোড়। পুলিশ হাড়গোড় সংগ্রহ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে। সম্প্রতি মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদের পলাশিপাড়া সাহেবনগর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায়। এ ঘটনায় বৃদ্ধের দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। বড় ছেলের দাবি, খাবার না পেয়ে অপুষ্টিতেই ঘরের মধ্যে মারা গিয়েছেন তার বাবা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির মালিক প্রৌঢ় প্রিয়ব্রত মণ্ডল। দুই ছেলের বড়জন শুভঙ্কর থাকেন

পুনেয় আর চোট দীপঙ্কর থাকতেন এলাকাতেই। একটি চায়ের দোকান রয়েছে তাঁর। হাঁটাচলা করতে না পারায় বাড়িতেই থাকতেন প্রিয়ব্রত। স্ত্রী মারা গিয়েছিল আগেই। ছোট ছেলে মামার বাড়িতে থেকে বাবাকে মাঝে মধ্যে খাবার দিয়ে যেতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। কিন্তু বাবা প্রিয়ব্রত ছোট ছেলেকে পছন্দ করতেন না।

ফলে ছেলে বাবায় টানাপোড়েন চলছিল। একপর্যায়ে বাবার খোঁজখবর রাখাও বন্ধ করেছিলেন ছোট ছেলে দীপঙ্কর। ভারতীয় গণমাধ্যম ওয়ান ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনা বলা হয়, গেল রোববার পুনে থেকে বাড়িতে ফিরে বাড়ির দরজায় ধাক্কা দেন বড় ছেলে শুভঙ্কর। কিন্তু দরজা ছিল ভিতর থেকে বন্ধ। কোনও সাড়া না পাওয়ার চিত্‍কারে

প্রতিবেশীরা জড়ো হয়ে যান। অল্প-বিল্তর দুর্গন্ধ আসছিল। খবর দেওয়ার পর পলাশিপাড়া থানা থেকে পুলিশকর্মীদের পাঠানো হয়। দরজা ভাঙলে দেখা যায়, মেঝেতে পড়ে রয়েছে হাড়গোড়। পুলিশ জানায়, সব মিলিয়ে ৪৭ টি হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। যা পাঠানো হয়েছে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য। বড় ছেলে শুভঙ্কর মণ্ডলের দাবি, হাড়গুলি তার বাবা প্রিয়ব্রতর। খাবার না পেয়ে অপুষ্টিতেই মারা গিয়েছেন তিনি।

mivi

Author: mivi

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *